বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুরে পদ্মার তীররক্ষা বাঁধে ফাটল, আতঙ্ক

padma-dam
নড়িয়ার সুরেশ্বর মাছঘাট এলাকায় পদ্মার তীররক্ষা বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীর ডান তীররক্ষা বাঁধে প্রায় ৫০ মিটার এলাকায় ফাটল দেখা দিয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার সুরেশ্বর মাছঘাট এলাকায় বাঁধে ফাটল দেখতে পায় স্থানীয়রা।

এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জিও ব্যাগ ও বালি ফেললেও বাঁধ ধসে পড়ার শঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ১০টি গ্রামের বাসিন্দারা।

শরীয়তপুর পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সজল পারভেজ জানান, বুধবার ভোরে স্থানীয়রা বাঁধে ফাটল দেখতে পায়। পরে পাউবো কর্মকর্তারা বাঁধের ফাটল দেখা দেওয়া বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৯ সালে প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধটি নির্মাণ করে পাউবো।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দুদিন ধরে বাঁধে ফাটলের অংশটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকায় ঘরিসার টিঅ্যান্ডটি মোড়, হালই সার, নন্দনসার ও পাচ গাঁওসহ প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে শুরেশ্বর মাছ ঘাটের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।

নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু তুলে নেওয়ার ফলে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।

এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল কাইয়ুম খান সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। ফাটলের কারণ ও ঝুঁকির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকানো এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সজল পারভেজ বলেন, কেন ফাটল তৈরি হয়েছে সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সার্ভে করা হয়েছে। সার্ভের রির্পোট এখনো ঢাকা থেকে আসেনি। তবে আমরা আপদকালীন জিও ব্যাগ ফেলে ডাম্পিং করছি।